• ১৬ কার্তিক ১৪৩৩, বৃহস্পতি ০৫ নভেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bangladesh

বিদেশ

হাসিনার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড, এবার নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায় নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন তিনি। হাসিনার দাবি, যে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ওই রায় দেওয়া হয়েছে, তিনি সেটিকে প্রত্যাখ্যান করছেন। তাঁর বক্তব্য, মৃত্যুদণ্ডের রায় ছিল রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং অন্যায্য।বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ২০২৫ সালের নভেম্বরে শেখ হাসিনাকে অনুপস্থিতিতে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ড দেয়। রায়ের পর থেকেই হাসিনা বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে আপত্তি জানিয়ে আসছেন।হাসিনার দাবি, তাঁর দেশ ছাড়ার পর যে সরকার গঠিত হয়েছিল, সেটি ছিল অসাংবিধানিক এবং প্রতিহিংসাপরায়ণ মনোভাব নিয়ে কাজ করেছিল। তাঁর বক্তব্য, সেই সরকারের আমলে হওয়া বিচারপ্রক্রিয়াও নিরপেক্ষ ছিল না। সেই কারণেই তিনি ওই বিচার ও রায়কে প্রহসনমূলক বলে দাবি করেছেন।হাসিনা বলেন, সারা জীবন তিনি আইন ও ন্যায়বিচারের নীতি মেনে চলেছেন। সেই প্রসঙ্গে তাঁর বাবা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং পরিবারের অন্য সদস্যদের হত্যার ঘটনায় অভিযুক্তদের বিচারের কথাও উল্লেখ করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, অন্যদের ক্ষেত্রে আইনের প্রয়োগ যেমন হয়েছে, তাঁর ক্ষেত্রেও তেমনই সুষ্ঠু আইনি প্রক্রিয়া থাকা উচিত।নিজের আইনি অধিকারের প্রসঙ্গে হাসিনা আরও বলেন, যে কোনও বিচারাধীন প্রক্রিয়ায় তিনি পূর্ণ আইনি সুরক্ষা চান। অর্থাৎ, নিজের বিরুদ্ধে চলা মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ এবং আইনের নির্ধারিত সুরক্ষা পাওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি।তবে হাসিনার বক্তব্য তাঁর নিজস্ব অবস্থান। বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে তাঁর আপত্তির পাশাপাশি মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচও অনুপস্থিতিতে হওয়া বিচার এবং আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সংস্থাটি বলেছে, বিচারটি আন্তর্জাতিক ন্যায্য বিচারের মানদণ্ড পূরণ করেছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।ফলে মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘিরে বাংলাদেশে রাজনৈতিক ও আইনি বিতর্ক এখনও অব্যাহত। এক দিকে ট্রাইব্যুনালের রায়, অন্য দিকে হাসিনার বিচারপ্রক্রিয়া প্রত্যাখ্যানের দাবিদুইয়ের মধ্যে আইনি পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা নিয়েই এখন নজর।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
বিদেশ

ভারতে আসছেন না তারেক রহমান! ব্রিকস সামিটের আগে হঠাৎ বদল বাংলাদেশের পরিকল্পনা

ব্রিকস নেতাদের বৈঠকে যোগ দিতে ভারতে আসছেন না বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিতব্য ব্রিকস বৈঠকে তাঁর যোগ দেওয়ার কথা থাকলেও শেষ মুহূর্তে সেই সফর বাতিল হয়েছে। বাংলাদেশের বিদেশ প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির সাংবাদিক বৈঠকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। পরে বিএনপির সামাজিক মাধ্যমের পাতাতেও বিষয়টি জানানো হয়।ব্রিকস বৈঠকে তারেক রহমান যোগ দেবেন কি না, তা নিয়ে বেশ কয়েক দিন ধরেই জল্পনা চলছিল। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের সরকারের তরফে জানিয়ে দেওয়া হল, ব্রিকস সামিটে যোগ দিতে ভারতে আসছেন না বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।বিদেশ প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির জানিয়েছেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে তারেক রহমানকে ব্রিকস বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। তাঁকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল বিমস্টেকের চেয়ারম্যান হিসাবে। এই কারণেই তিনি ব্রিকস সামিটে যোগ দিতে ভারতে আসছেন না বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।শুধু তারেক রহমানই নন, বাংলাদেশের কোনও প্রতিনিধিও ব্রিকস বৈঠকে যোগ দেবেন না বলে জানানো হয়েছে। ফলে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হতে চলা এই বৈঠকে বাংলাদেশের উপস্থিতি থাকছে না বলেই স্পষ্ট হয়েছে।বিমস্টেক হল বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের সাতটি দেশের একটি আঞ্চলিক জোট। এই জোটে রয়েছে ভারত, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, মায়ানমার, নেপাল এবং ভুটান। বিমস্টেকের চেয়ারম্যান হিসাবে তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানানোর বিষয়টিই ব্রিকস বৈঠকে তাঁর সম্ভাব্য উপস্থিতি নিয়ে জল্পনা তৈরি করেছিল।তবে ব্রিকস বৈঠকে না গেলেও তারেক রহমানের ভারত সফরের সম্ভাবনা পুরোপুরি শেষ হয়ে যাচ্ছে না। বিদেশ প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির জানিয়েছেন, ভারত ও বাংলাদেশ দুই দেশই তারেক রহমানের দ্বিপাক্ষিক ভারত সফরের ব্যবস্থা করছে। অনুকূল পরিবেশ তৈরি হলে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ভারত সফরে আসবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।এর আগে চলতি বছরের নভেম্বরের শেষ দিকে অথবা ডিসেম্বর মাসে তারেক রহমান ভারত সফরে যেতে পারেন বলে জল্পনা ছড়িয়েছিল। তবে সেই সফর নিয়ে ভারত বা বাংলাদেশের কোনও পক্ষই এখনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেনি।ফলে ব্রিকস সামিটে তারেক রহমানের উপস্থিতি নিয়ে জল্পনার অবসান হলেও তাঁর ভারত সফরের সম্ভাবনা পুরোপুরি উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না। বরং দ্বিপাক্ষিক সফরের মাধ্যমে ভবিষ্যতে দিল্লি-ঢাকা সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন কোনও বার্তা আসে কি না, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬
বিদেশ

দেশে ফেরার ঘোষণা, তার আগেই প্রকাশ্যে হাসিনার সম্পত্তির হিসাব! কত টাকার মালিক প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী?

বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ঘিরে ফের চর্চা শুরু হয়েছে তাঁর সম্পত্তির হিসাব নিয়ে। বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যমের দাবি, দেশে গণহত্যার মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর তাঁর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে হাসিনার হলফনামা, যেখানে তাঁর স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির হিসাব উল্লেখ রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।হলফনামায় দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশি মুদ্রায় শেখ হাসিনার মোট সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ৪ কোটি ৩৪ লক্ষ টাকা। ভারতীয় মুদ্রায় যার মূল্য প্রায় ৩ কোটি ৩৩ লক্ষ টাকা। তাঁর হাতে নগদ ছিল ২৮ হাজার ৫০০ বাংলাদেশি টাকা। বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে তাঁর প্রায় ২ কোটি ৩৯ লক্ষ বাংলাদেশি টাকা জমা ছিল বলে ওই হিসাব থেকে জানা যাচ্ছে।শুধু ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা টাকাই নয়, শেখ হাসিনার নামে কৃষিজমিও রয়েছে। হলফনামা অনুযায়ী, তাঁর কৃষিজমির পরিমাণ ১৫ বিঘার বেশি। তাঁর নামে মোট তিনটি গাড়ি রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি গাড়ি উপহার হিসেবে পাওয়া। সেই গাড়ির মূল্য হলফনামায় উল্লেখ করা হয়নি। অন্য দুটি গাড়ির সম্মিলিত মূল্য প্রায় ৪৭ লক্ষ ৫০ হাজার বাংলাদেশি টাকা।হলফনামায় সোনা ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর মূল্য প্রায় ১৩ লক্ষ ২৫ হাজার বাংলাদেশি টাকা বলে উল্লেখ রয়েছে। এছাড়া আসবাবপত্রের মূল্য প্রায় ৭ লক্ষ ৪০ হাজার বাংলাদেশি টাকা বলে জানা যাচ্ছে। সব মিলিয়ে হলফনামায় শেখ হাসিনার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির যে হিসাব দেওয়া হয়েছে, তা নিয়েই এখন নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।এই পরিস্থিতির মধ্যেই দেশে ফেরার ইচ্ছার কথাও প্রকাশ্যে জানিয়েছেন শেখ হাসিনা। একটি সাক্ষাৎকারে তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, তিনি নিজের দেশে ফিরতে চান এবং ফিরবেনই। ডিসেম্বরের মধ্যেই বাংলাদেশে ফেরার ইচ্ছা রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংকট অনির্দিষ্টকাল ধরে চলতে দেওয়া যায় না। দেশে ফেরা তাঁর কাছে ক্ষমতায় ফেরার বিষয় নয়, বরং সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর বিষয়।হাসিনার বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি সারা জীবন বিদেশে থাকতে পারেন না। নিজের দেশ এবং আপনজনদের কাছে তাঁকে ফিরতেই হবে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেই তাঁর এই মন্তব্য নতুন করে রাজনৈতিক মহলে চর্চা তৈরি করেছে।উল্লেখ্য, ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকেই শেখ হাসিনা ভারতে রয়েছেন। বাংলাদেশে তাঁর বিরুদ্ধে বিচারপ্রক্রিয়া হয়েছে এবং তাঁর বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের সাজা ঘোষণার কথাও সামনে এসেছে। তাঁকে বাংলাদেশের হাতে প্রত্যর্পণ করা নিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে কূটনৈতিক টানাপড়েনও চলছে বলে জানা যাচ্ছে।এরই মধ্যে গত ৫ আগস্ট দিল্লি থেকে ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন শেখ হাসিনা। সেখানেও দেশে ফেরার বিষয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন তিনি। ডিসেম্বর, অর্থাৎ বাংলাদেশের স্বাধীনতার মাসে দেশে ফেরার ইচ্ছার কথা জানান হাসিনা। তাঁর এই বক্তব্য এবং একই সময়ে প্রকাশ্যে আসা সম্পত্তির হিসাব ঘিরে বাংলাদেশ ও ভারতের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

২০ বছর পর এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপ-এ ভারত, বাংলাদেশকে ৩-০ গোলে হারিয়ে ইতিহাস গড়ল ব্লু কল্টস

তাসখন্দ: দীর্ঘ ২০ বছরের অপেক্ষার অবসান। বাংলাদেশকে ৩-০ গোলে হারিয়ে এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপ (AFC U20 Asian Cup)-এর মূলপর্বে জায়গা করে নিল ভারত। রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) তাসখন্দে গ্রুপ বি-র শেষ ম্যাচে দাপুটে জয় তুলে নিয়ে যোগ্যতা অর্জন করল ভারতের অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল দল।বাংলাদেশের বিরুদ্ধে জয়ের ফলে তিন ম্যাচে ভারতের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৬ পয়েন্ট। তবে ম্যাচ জেতার পরও সরাসরি যোগ্যতা নিশ্চিত হয়নি ভারতের। অপেক্ষা করতে হয়েছিল গ্রুপের অপর ম্যাচে সিরিয়া বনাম উজবেকিস্তানের ফলাফলের জন্য।শেষ পর্যন্ত উজবেকিস্তানের কাছে সিরিয়া ০-৩ গোলে হেরে যাওয়ায় গ্রুপ বি-তে দ্বিতীয় স্থানে শেষ করে ভারত। আটটি গ্রুপের মধ্যে সেরা সাত রানার্স-আপ দলের একটি হিসেবে এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপ-এর মূলপর্বে খেলার ছাড়পত্র পেয়ে যায় ব্লু কল্টস।ভারত শেষবার এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপ-এর মূলপর্বে খেলেছিল ২০০৬ সালে। অর্থাৎ দুই দশক পর ফের এশিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যুব ফুটবল প্রতিযোগিতার মূলপর্বে জায়গা করে নিল ভারতীয় দল।বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ভারতের হয়ে প্রথম গোলটি করেন ড্যানি মেইতেই লাইশ্রাম। ২৫ মিনিটে তাঁর গোলে এগিয়ে যায় ভারত। এরপর ম্যাচের ৬০ মিনিটে অসাধারণ অ্যাক্রোবেটিক ফিনিশে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন বিশাল যাদব। পরিবর্ত হিসেবে নামা মো. আরবাশ ৭৯ মিনিটে শক্তিশালী শটে তৃতীয় গোলটি করে ভারতের জয় নিশ্চিত করেন।গ্রুপ বি-তে ৯ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে থেকে মূলপর্বে উঠেছে উজবেকিস্তান। তিন পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে শেষ করেছে সিরিয়া। অন্যদিকে তিন ম্যাচেই হেরে গ্রুপের তলানিতে থাকা বাংলাদেশকে Development Phase-এ নেমে যেতে হয়েছে।ভারতের এই যোগ্যতা অর্জনের পথে শুরুটাও হয়েছিল জয় দিয়ে। ৩১ আগস্ট গ্রুপ বি-র প্রথম ম্যাচে তাসখন্দের দোস্তলিক স্টেডিয়ামে সিরিয়াকে ১-০ গোলে হারিয়েছিল ভারত। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে ৩ সেপ্টেম্বর উজবেকিস্তানের কাছে ০-৪ গোলে পরাজিত হয় তারা। ফলে শেষ ম্যাচে বাংলাদেশকে হারানোর পাশাপাশি সিরিয়া যাতে উজবেকিস্তানকে হারাতে না পারে, সেই ফলাফলের দিকেও তাকিয়ে থাকতে হয়েছিল ভারতকে।শেষ পর্যন্ত সেই সমীকরণ মিলে যায়। আর যোগ্যতা নিশ্চিত হওয়ার পর উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন ভারতীয় দলের তরুণ ফুটবলাররা। দলের হোটেলের বাইরে নাচ-গানে ঐতিহাসিক সাফল্য উদযাপন করেন তাঁরা। ভারতীয় ফুটবলের নিয়ামক সংস্থা AIFF-ও সোশ্যাল মিডিয়ায় দলের উদযাপনের ভিডিও প্রকাশ করে।এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপ-এর মূলপর্ব অনুষ্ঠিত হবে চিনে। আগামী ২৪ মার্চ থেকে ১০ এপ্রিল, ২০২৭ পর্যন্ত চলবে এই প্রতিযোগিতা। দুই দশক পর মূলপর্বে ফিরে ভারতের তরুণ ফুটবলাররা এবার এশিয়ার সেরা দলগুলির বিরুদ্ধে নিজেদের মেলে ধরার সুযোগ পাবেন।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৬
বিদেশ

চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে নিয়ে বড় খবর বাংলাদেশ থেকে! আরও দুই মামলায় জামিন, তবে এখনই মুক্তি নয়

বাংলাদেশ হাই কোর্টের নির্দেশে আরও দুটি মামলায় জামিন পেলেন সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারী। রবিবার বিচারপতি কে এম জাহিদ সরওয়ার এবং বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের বেঞ্চ এই জামিন মঞ্জুর করে। চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের হয়ে আদালতে সওয়াল করেন আইনজীবী অপূর্ব কুমার ভট্টাচার্য।আইনজীবী জানিয়েছেন, ২০২৪ সালের ২৬ নভেম্বর চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানায় পুলিশি কাজে বাধা এবং ভাঙচুরের অভিযোগে পৃথক দুটি মামলা হয়েছিল। সেই দুই মামলাতেই এ দিন জামিন পেয়েছেন চিন্ময় কৃষ্ণ দাস। তবে এই জামিনের পরেও এখনই তাঁর জেলমুক্তি হচ্ছে না।চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের আইনজীবীর বক্তব্য অনুযায়ী, তাঁর বিরুদ্ধে মোট ছটি ফৌজদারি মামলা রয়েছে। তার মধ্যে চট্টগ্রামে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম হত্যা মামলার বিচার চলছে ট্রাইব্যুনালে। রাষ্ট্রদ্রোহের মামলায় তাঁর জামিন এখনও স্থগিত রয়েছে।বাকি চারটি মামলার মধ্যে দুটি মামলায় ইতিমধ্যেই হাই কোর্ট জামিন দিয়েছে। অন্য দুটি মামলায় জামিনের শুনানির জন্য পরবর্তী দিন ধার্য হয়েছে। ফলে একাধিক মামলায় আইনি লড়াই এখনও চলছে।২০২৪ সালের ২৫ নভেম্বর জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তাঁর জামিনকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রামে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সেই সংঘর্ষে আইনজীবী সাইফুল ইসলামকে পিটিয়ে এবং কুপিয়ে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় নিহত আইনজীবীর বাবা জামাল উদ্দিন ৩১ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা করেন।এর পাশাপাশি হত্যাচেষ্টা, হামলা, সরকারি কাজে বাধা, আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীদের উপর হামলা এবং ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগেও একাধিক মামলা হয়। সেই মামলাগুলির মধ্যেই কয়েকটিতে এখন আদালত থেকে জামিন মিলছে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের।চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের গ্রেফতারির ঘটনায় ভারতও উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল। দিল্লির তরফে বাংলাদেশে হিন্দু-সহ সমস্ত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছিল।২০২৪ সালের আগস্টে শেখ হাসিনা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর দুই দেশের সম্পর্কের অবনতি হয়েছিল। সেই সময় বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে গ্রেফতার হন চিন্ময় কৃষ্ণ দাস। পরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে পরিবর্তন এসেছে।ভোটের পর বিএনপি সরকার গঠন করেছে এবং তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। নতুন সরকারের সময়ে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক ধীরে ধীরে উন্নতির দিকে এগোচ্ছে বলে কূটনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের একাধিক মামলায় জামিনের বিষয়টিও নতুন করে নজরে এসেছে।তবে দুই মামলায় জামিন পেলেও এখনও তাঁর বিরুদ্ধে থাকা অন্যান্য মামলার আইনি প্রক্রিয়া শেষ হয়নি। ফলে চিন্ময় কৃষ্ণ দাস কবে জেল থেকে মুক্তি পাবেন, তা নির্ভর করছে বাকি মামলাগুলির আদালত-সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের উপর।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২৬
দেশ

পাকিস্তান থেকে চলত সিম, বাংলাদেশে পৌঁছত হাওয়ালার টাকা! দিল্লিতে ধৃত শিলিগুড়ির প্রদীপ্তকে ঘিরে বড় রহস্য

দিল্লি থেকে পাক গুপ্তচর সন্দেহে শিলিগুড়ির বাসিন্দা প্রদীপ্তকুমার সরকারকে গ্রেপ্তার করেছে রাজ্য পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দল। তদন্তকারীদের দাবি, প্রদীপ্ত হাওয়ালা চক্রের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তাঁর মাধ্যমে বাংলাদেশে টাকা পৌঁছে দেওয়া হত বলে অভিযোগ। সেই টাকা পরে পাকিস্তানি গুপ্তচর এবং তাদের সহযোগীদের কাছে পৌঁছত কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।তদন্তকারীদের নজরে আসার পর প্রদীপ্তের কাছ থেকে একটি সিম কার্ড উদ্ধার করা হয়। সেই সিমটি পাকিস্তান থেকে পরিচালিত হত বলে প্রাথমিক তদন্তে দাবি তদন্তকারীদের। বিষয়টি নিশ্চিত করতে সিম কার্ডটি ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। এই সিমের মাধ্যমে কার সঙ্গে যোগাযোগ করা হত এবং এর সঙ্গে হাওয়ালা চক্রের কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তদন্তকারীদের দাবি, প্রদীপ্ত বর্তমানে দিল্লিতে থাকলেও তাঁর শিকড় শিলিগুড়িতে। নেপালকে করিডোর করে উত্তরবঙ্গ হয়ে বাংলাদেশ পর্যন্ত হাওয়ালার একটি নেটওয়ার্কের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ছিল বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। বাংলাদেশে থাকা কয়েক জনের সহযোগিতায় এই লেনদেন চলত কি না, তা নিয়েও তদন্ত চলছে।তদন্তকারীদের আরও দাবি, হাওয়ালার টাকার হিসাব মেলাতে প্রদীপ্তকে মাঝেমধ্যেই বাংলাদেশে যেতে হত। সেই সূত্র ধরেই তাঁর গতিবিধি সম্পর্কে তথ্য হাতে আসে তদন্তকারীদের। এরপর তাঁর মোবাইল এবং অন্যান্য নথি খতিয়ে দেখে একাধিক বিষয় নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়।প্রদীপ্তের সঙ্গে জাল নোট এবং সিম পাচার চক্রেরও যোগাযোগ থাকতে পারে বলে তদন্তকারীদের ধারণা। তবে এই অভিযোগগুলির কোনওটিই এখনও আদালতে প্রমাণিত নয়। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য সামনে আসবে বলেই জানিয়েছে তদন্তকারী দল।অন্যদিকে, জাল নোট এবং সিম কার্ড পাচারের অভিযোগে ইসলামপুর থেকে গ্রেপ্তার ফজলে রাব্বি সিদ্দিকিকেও জিজ্ঞাসাবাদ করছে তদন্তকারীরা। শুক্রবার তাঁকে দিনহাটা মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক সাত দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন। ফজলে রাব্বি ইসলামপুরের তৃণমূলের প্রাক্তন জেলা সভাপতি জাকির হোসেনের ভাই।ইসলামপুরের পাটাগোরা গ্রাম থেকে স্থানীয় পুলিশের সহযোগিতায় ফজলে রাব্বিকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে সাপের বিষ পাচারের একটি মামলাতেও তাঁর নাম জড়িয়েছিল বলে অভিযোগ। প্রদীপ্তের সঙ্গে ফজলে রাব্বির কোনও যোগাযোগ ছিল কি না, সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তদন্তকারীদের সন্দেহ, এই দুই ব্যক্তির মধ্যে কোনও যোগসূত্র থাকলে তার মাধ্যমে হাওয়ালা, জাল নোট এবং সিম পাচারের চক্র সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়া যেতে পারে। প্রদীপ্তের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া সিমের ফরেনসিক রিপোর্ট এবং জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের দিকেই এখন নজর তদন্তকারীদের।

আগস্ট ২২, ২০২৬
বিদেশ

অপরিচিত যুবকদের ঘোরাঘুরি, রানিনগরে পুলিশের জালে ৭ বাংলাদেশি, কেন এসেছিল এই দেশে?

মুর্শিদাবাদে ফের অনুপ্রবেশের অভিযোগে একসঙ্গে সাত বাংলাদেশিকে আটক করল পুলিশ। রানিনগর থানার পুলিশ মঙ্গলবার রাতে কাহারপাড়া এলাকা থেকে ওই সাতজনকে আটক করে। বুধবার তাদের হোল্ডিং সেন্টারে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে প্রবেশের অভিযোগেই তাদের আটক করা হয়েছে।জানা গিয়েছে, সোমবার রাতে রানিনগর থানার ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সীমান্ত দিয়ে ওই সাত বাংলাদেশি বেআইনিভাবে এদেশে প্রবেশ করে। সীমান্ত পেরনোর পর কাহারপাড়া এলাকায় তারা গা-ঢাকা দিয়ে ছিল বলে অভিযোগ। কিন্তু এলাকায় বেশ কয়েকজন অপরিচিত যুবকের গতিবিধি স্থানীয় বাসিন্দাদের নজরে আসে। সন্দেহ হওয়ায় স্থানীয়রাই রানিনগর থানায় খবর দেন।খবর পেয়ে দ্রুত এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। তল্লাশি চালিয়ে সাতজনকে আটক করা হয়। এরপর তাদের থানায় নিয়ে গিয়ে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পুলিশ সূত্রে খবর, জেরায় আটক ব্যক্তিরা দক্ষিণ ভারতে কাজের উদ্দেশ্যেই সীমান্ত পেরিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের কথা জানিয়েছে।এই ঘটনায় সীমান্তবর্তী মুর্শিদাবাদে ফের অনুপ্রবেশ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক সীমান্ত দিয়ে কীভাবে ওই সাতজন এ দেশে ঢুকল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তাদের সঙ্গে আর কেউ জড়িত রয়েছে কি না, অথবা সীমান্ত পেরনোর ক্ষেত্রে কোনও দালাল বা চক্র তাদের সাহায্য করেছে কি না, সেই বিষয়টিও তদন্তের আওতায় রয়েছে।মুর্শিদাবাদ-সহ সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে বাংলাদেশ থেকে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগ নিয়ে প্রশাসনের উদ্বেগ দীর্ঘদিনের। একের পর এক ঘটনায় সেই উদ্বেগ আরও বাড়ছে। যদিও পুলিশ-প্রশাসনের তরফে সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। অপরিচিত ব্যক্তিদের গতিবিধির উপরও নজর রাখছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।আটক সাত বাংলাদেশিকে বুধবার হোল্ডিং সেন্টারে পাঠানো হয়েছে। পরবর্তী পদক্ষেপের আগে তাদের পরিচয় এবং ভারতে প্রবেশের পথ-সহ অন্যান্য বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

আগস্ট ১৯, ২০২৬
দেশ

স্বাধীনতা দিবসের আগে রাষ্ট্রপুঞ্জের রিপোর্টে বিস্ফোরক তথ্য! লালকেল্লা ঘিরে কেন বাড়ল নিরাপত্তা?

স্বাধীনতা দিবসের আগে রাষ্ট্রপুঞ্জের একটি বিশেষ রিপোর্ট ঘিরে নতুন করে সতর্ক হয়েছে দিল্লি। ১৫ অগস্ট লালকেল্লায় প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের আগে ওই রিপোর্টে আল কায়দার ভারতীয় উপমহাদেশে নতুন করে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা নিয়ে একাধিক তথ্য উঠে এসেছে। রিপোর্ট সামনে আসার পর নিরাপত্তা সংস্থাগুলির তৎপরতাও বেড়েছে বলে জানা গিয়েছে।রাষ্ট্রপুঞ্জের রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, বাংলাদেশে গোপন ঘাঁটি তৈরি করার চেষ্টা চালাচ্ছে আল কায়দার একটি শাখা। ভারতীয় উপমহাদেশে এই সংগঠনের কার্যকলাপ নিয়ে রিপোর্টে সতর্ক করা হয়েছে। সংগঠনটির নাম উল্লেখ করা হয়েছে আল কায়দা ইন দ্য ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্ট হিসেবে।রিপোর্ট অনুযায়ী, বড় কোনও সংগঠিত ইউনিট হিসেবে কাজ না করে ছোট ছোট বিচ্ছিন্ন দলের মাধ্যমে নিজেদের কার্যকলাপ বাড়ানোর চেষ্টা করছে এই গোষ্ঠী। বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগ তৈরি, অর্থ সংগ্রহের ব্যবস্থা এবং প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো গড়ে তোলার চেষ্টা চলছে বলেও রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।বাংলাদেশে সংগঠনটির সম্ভাব্য তৎপরতা নিয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সেখান থেকে ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা হতে পারে কি না, তা নিয়েও নিরাপত্তা মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। রিপোর্টে সংগঠনটির সঙ্গে পাকিস্তানভিত্তিক একটি জঙ্গি গোষ্ঠীর যোগাযোগের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।গত বছর নভেম্বর মাসে লালকেল্লার বাইরে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছিল। সেই ঘটনায় অন্তত ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছিল বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ওই হামলার সঙ্গে আল কায়দার যোগ থাকার তথ্যও রাষ্ট্রপুঞ্জের রিপোর্টে উঠে এসেছে বলে দাবি করা হয়েছে।স্বাধীনতা দিবসের আগে লালকেল্লায় প্রধানমন্ত্রীর ভাষণকে কেন্দ্র করে এমনিতেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। তার উপর রাষ্ট্রপুঞ্জের রিপোর্টে আল কায়দার নতুন করে সক্রিয় হওয়ার তথ্য সামনে আসায় নিরাপত্তা সংস্থাগুলির নজরদারি আরও বাড়তে পারে।রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, ছোট ছোট গোষ্ঠীর মাধ্যমে কাজ করায় সংগঠনটির প্রকৃত পরিধি চিহ্নিত করা কঠিন। অর্থ সংগ্রহ এবং বিভিন্ন ধরনের পরিকাঠামোগত সহযোগিতার মাধ্যমে ধীরে ধীরে নিজেদের শক্তি বাড়ানোর চেষ্টা চলছে বলে রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে।স্বাধীনতা দিবসের আগে এই রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসায় বিষয়টি নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। লালকেল্লায় প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানের নিরাপত্তা এবং ভারতীয় ভূখণ্ডে সম্ভাব্য জঙ্গি তৎপরতার বিষয়ে এখন নিরাপত্তা সংস্থাগুলি কী পদক্ষেপ করে, সেদিকেই নজর।

আগস্ট ১৩, ২০২৬
রাজ্য

১৪ বছর ভারতে থেকে ভুয়ো পরিচয়! বাংলাদেশ পালানোর আগেই হাবড়ায় ধরা পাক গুপ্তচর

ভারতে ১৪ বছর ধরে বসবাস, তৈরি হয়েছিল ভুয়ো ভারতীয় নথি! বাংলাদেশে পালানোর আগেই হাবড়ায় পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দলের হাতে ধরা পড়ল পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থার সঙ্গে যোগ থাকার অভিযোগে এক ব্যক্তি। তদন্তকারীদের দাবি, ধৃত রানা রউফ খালিদ ওরফে সানি ওরফে ওয়াহাব আলম এবং তাঁর সহযোগী মহম্মদ ইজাজের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে কলকাতার ফোর্ট উইলিয়মের ছবি, একটি মানচিত্র, একাধিক দেশের ফোন নম্বর এবং বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।মঙ্গলবার রাতে যশোর রোড ধরে বেনাপোল সীমান্তের দিকে যাওয়ার সময় হাবড়ার চোংদা মোড়ে দুজনকে গ্রেপ্তার করে বিশেষ তদন্তকারী দল। তদন্তকারীদের সন্দেহ, বাংলাদেশে পালিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তাঁরা। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে ভারতীয় সেনা, সামরিক পরিকাঠামো এবং রেলের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বিদেশে পাঠানোর অভিযোগ সামনে এসেছে।তদন্তকারীদের দাবি, রানা ও ইজাজের কাছ থেকে কলকাতার সেনা সদর দফতর ফোর্ট উইলিয়মের ছবি এবং একটি মানচিত্র পাওয়া গিয়েছে। সেই ছবি এবং মানচিত্র কী ভাবে তাঁদের হাতে এল, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। আগামী ১৫ অগস্টের আগে কোনও বড় নাশকতার পরিকল্পনা ছিল কি না, সেই সম্ভাবনাও তদন্তের আওতায় রাখা হয়েছে। এই বিষয়ে সেনা গোয়েন্দাদের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছে বলে তদন্তকারী সূত্রে খবর।জিজ্ঞাসাবাদে আরও জানা গিয়েছে, ভারতীয় সেনার গতিবিধি, সামরিক পরিকাঠামো এবং রেলের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাকিস্তানের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার কাছে পৌঁছে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে ধৃতদের বিরুদ্ধে। পেট্রাপোল ও ঘোজাডাঙা সীমান্ত এলাকায় সেনার গতিবিধি সম্পর্কেও তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি। ঠিক কী কী তথ্য কোথায় পাঠানো হয়েছিল, তা জানার চেষ্টা চলছে।তদন্তকারীদের দাবি, ধৃত দুজনের বাড়ি পাকিস্তানের ফয়সলাবাদ জেলার হাফিজাবাদ গ্রামে। ২০১২ সালে নেপালের কাঠমান্ডু সীমান্ত দিয়ে রক্সৌল হয়ে ভারতে ঢোকার পর কলকাতার তপসিয়া এলাকায় বসবাস শুরু করেন রানা। পরে সহযোগী ইজাজের সাহায্যে ওয়াহাব আলম নামে ভুয়ো ভোটার ও আধার কার্ড তৈরি করেছিলেন বলে অভিযোগ। পরে বিশেষ ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ায় তাঁর নাম বাদ পড়ে।রানা একাধিক বার পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডিতে গিয়েছিলেন বলেও তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন। সম্প্রতি বাংলাদেশ হয়ে পালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তিনি। ১১ অগস্ট বিশেষ সূত্রে রানার গতিবিধি সম্পর্কে খবর পাওয়ার পর নজরদারি শুরু করে বিশেষ তদন্তকারী দল। যশোর রোড ধরে বেনাপোল সীমান্তের দিকে যাওয়ার সময় তাঁদের গতিবিধি নজরে আসে। এর পর রাত সাড়ে ১২টা নাগাদ হাবড়ার চোংদা মোড়ে অভিযান চালিয়ে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।তদন্তকারীদের আরও দাবি, বাংলাদেশে ঢোকার আগে কয়েক জন সীমান্ত দালালের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছিলেন রানা। তাঁদের কাছ থেকে পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলঙ্কা এবং বাংলাদেশের একাধিক ফোন নম্বর, দুটি সিম কার্ড, একটি নোটবুক এবং বিভিন্ন বার্তার তথ্য উদ্ধার হয়েছে। কিছু তথ্য ও ফোন নম্বর মুছে ফেলার চেষ্টার প্রমাণও মিলেছে বলে তদন্তকারী সূত্রে খবর।পাকিস্তানের সঙ্গে যোগাযোগের সন্দেহে আগে ধৃত কয়েক জনের সঙ্গেও রানা ও ইজাজের যোগাযোগ ছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি। রানার ফোনে তাঁদের নম্বরও পাওয়া গিয়েছে। সেই সূত্র ধরে আরও কয়েক জনের নাম তদন্তকারীদের হাতে এসেছে বলে খবর। ফলে গত ১৪ বছরে ভারতে থেকে ধৃতেরা ঠিক কী ধরনের কার্যকলাপ চালিয়েছিলেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তাঁরা কার আশ্রয়ে ছিলেন, কী ভাবে ভারতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করলেন, তাঁদের অর্থের উৎস কী ছিল এবং সেনা ও রেলের তথ্য কী ভাবে বিদেশে পৌঁছতএই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন তদন্তকারীরা। ফোর্ট উইলিয়মের ছবি ও মানচিত্র উদ্ধারের বিষয়টিও তদন্তে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

আগস্ট ১২, ২০২৬
দেশ

ডিসেম্বরে ফিরবই! আবেগঘন বার্তায় বড় ঘোষণা শেখ হাসিনার, বাংলাদেশ নিয়ে বিস্ফোরক দাবি

দেশ ছাড়ার দুই বছর পর প্রথমবার সাংবাদিকদের উদ্দেশে অডিয়ো বার্তা দিলেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে ঠিক কোন দিনে ফিরবেন, তা পরে জানানো হবে বলেও জানান তিনি। বক্তব্য রাখতে গিয়ে একাধিকবার আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন শেখ হাসিনা।অডিয়ো বার্তায় শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নাড়ির টান। গত দুই বছরে দেশের পরিস্থিতি দেখে তিনি অত্যন্ত কষ্ট পেয়েছেন। তাঁর দাবি, যে আন্দোলনের জেরে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়েছিল, সেটি শুধুমাত্র ছাত্র আন্দোলন ছিল না। পরিকল্পিতভাবে সেই আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপ দেওয়া হয়েছিল।সরকার পতনের প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনার জন্য সরকার উদ্যোগ নিয়েছিল। কিন্তু সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরানোর পরিকল্পনা আগে থেকেই করা হয়েছিল। তাঁর দাবি, সরকার সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব পালন করেছে এবং সেই পদক্ষেপকে অপরাধ বলা যায় না।তিনি আরও অভিযোগ করেন, তাঁর সরকারের সময়ে শুরু হওয়া বিচার বিভাগীয় তদন্ত পরবর্তী সরকার বন্ধ করে দেয়। শেখ হাসিনার দাবি, আন্দোলনের সময় এবং পরে আওয়ামী লীগের বহু নেতা-কর্মী নিখোঁজ হয়েছেন। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়, সাংবাদিক এবং মুক্তিযোদ্ধারাও নানা ধরনের আক্রমণের শিকার হয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।আন্তর্জাতিক মহলের উদ্দেশে শেখ হাসিনা আবেদন জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশের মানুষের পাশে দাঁড়ানো প্রয়োজন। একই সঙ্গে তিনি জানান, জেলেও যেতে হলে তিনি প্রস্তুত। নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে নয়, দেশের মানুষের কাছেই ফিরতে চান তিনি।ভারতে থাকার প্রসঙ্গেও মুখ খোলেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ভারত সরকার তাঁকে যথেষ্ট সম্মান ও আন্তরিকতা দেখিয়েছে। ভারতকে বন্ধু দেশ বলেই উল্লেখ করেন তিনি। তবে তাঁর কথায়, শেষ পর্যন্ত নিজের দেশেই ফিরতে চান তিনি এবং সেই লক্ষ্যেই ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ও বর্তমান বাংলাদেশের সরকারের কড়া সমালোচনা করেন। তাঁর অভিযোগ, দেশে মানবাধিকার ও বাকস্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হচ্ছে এবং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও দাবি করেন, আন্দোলনে মৃত্যুর প্রকৃত সংখ্যা নিয়ে এখনও স্পষ্ট তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, দেশে জঙ্গি কার্যকলাপ এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলের নজর দেওয়া প্রয়োজন। তাঁর দাবি, এই পরিস্থিতি শুধু বাংলাদেশের নয়, গোটা অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্যও উদ্বেগের বিষয় হতে পারে।শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণার পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। আগামী কয়েক মাসে পরিস্থিতি কোন দিকে এগোয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

আগস্ট ০৫, ২০২৬
দেশ

অবৈধভাবে ভারতে ঢোকার মাশুল! দুই বাংলাদেশি মহিলার বিরুদ্ধে আদালতের বড় রায়

অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ এবং বৈধ নথি ছাড়া দেশে বসবাসের অভিযোগে দুই বাংলাদেশি মহিলাকে দুবছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দিল মহারাষ্ট্রের একটি আদালত। কারাদণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেককে দশ হাজার টাকা করে জরিমানাও করা হয়েছে।দোষী সাব্যস্ত হওয়া দুই মহিলার নাম শাহানাজ বিলাল সদ্দার এবং হাসিনা জব্বর খান। আদালতের নথি অনুযায়ী, গত তিন ডিসেম্বর দুই হাজার চব্বিশ সালে মহারাষ্ট্রের থানে জেলার মিরা রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করে পুলিশের মানব পাচার বিরোধী শাখা। এরপর থেকেই তাঁরা হেফাজতে ছিলেন।তদন্তে উঠে আসে, দুই মহিলা বৈধ নথি ছাড়াই ভারতে প্রবেশ করেছিলেন এবং মহারাষ্ট্রে একটি ভাড়া বাড়িতে বসবাস করছিলেন। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।আদালতে দুই মহিলার আইনজীবী জানান, তাঁরা অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারের সদস্য। দুজনই বিবাহিত এবং পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী। তাঁদের বিরুদ্ধে আগে কোনও অপরাধের অভিযোগও ছিল না। পাশাপাশি আদালতের কাছে দাখিল করা আবেদনে দুই মহিলা নিজেদের দোষ স্বীকার করার ইচ্ছার কথাও জানান।সমস্ত দিক বিবেচনা করে আদালত বিদেশি আইন এবং পাসপোর্ট আইনের অধীনে দুই মহিলাকে দোষী সাব্যস্ত করে। তবে গ্রেপ্তারের পর থেকে তাঁরা যে সময় হেফাজতে কাটিয়েছেন, সেই সময় মূল কারাদণ্ডের মেয়াদের সঙ্গে সমন্বয় করার নির্দেশও দিয়েছেন বিচারক।এই রায়ের পর অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং বৈধ নথি ছাড়া ভারতে বসবাসের অভিযোগে আইনি পদক্ষেপ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

জুলাই ১৫, ২০২৬
বিদেশ

ফাঁসির আশঙ্কা জেনেও দেশে ফিরবেন শেখ হাসিনা! বিস্ফোরক বার্তায় তোলপাড় বাংলাদেশ

বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বড় রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ইঙ্গিত দিলেন। তিনি জানিয়েছেন, আর বিদেশে থেকে নয়, এবার নিজ দেশেই ফিরতে চান। দেশে ফিরে স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করার পরিকল্পনাও রয়েছে তাঁর। এই ঘোষণার পর বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।এক সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা বলেন, আগামী ডিসেম্বর মাসে আওয়ামী লিগের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বাংলাদেশে ফেরার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। দেশে ফিরে তিনি আইন মেনে আত্মসমর্পণ করবেন। কোনও চাপের মুখে নয়, সম্পূর্ণ নিজের সিদ্ধান্তেই তিনি দেশে ফিরতে চান বলেও জানিয়েছেন।শেখ হাসিনা বলেন, দেশে ফিরলেই তাঁকে গ্রেফতার করা হতে পারে, এমনকি মৃত্যুর মুখেও পড়তে পারেন। তবুও তিনি বাংলাদেশে ফিরতে চান। তাঁর কথায়, যদি মৃত্যু আসে, তবে তা নিজের দেশেই হোক। যেখানে তাঁর বাবা-মায়ের সমাধি রয়েছে, সেই মাটিতেই শেষ নিঃশ্বাস ফেলতে চান তিনি।তবে এখনও পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে দেশে ফেরার বিষয়ে কোনও বার্তা পাঠাননি শেখ হাসিনা। তাঁর দাবি, গণতন্ত্র, ভোটাধিকার, রাজনৈতিক অধিকার এবং ন্যায়বিচারের প্রশ্ন কোনও গোপন আলোচনার বিষয় হতে পারে না।গ্রেফতার হওয়ার আশঙ্কা নিয়েও তিনি ভীত নন বলে জানিয়েছেন। শেখ হাসিনার বক্তব্য, অতীতেও একাধিকবার তাঁকে গ্রেফতার হতে হয়েছে। কিন্তু গত বছরের রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় তাঁর জীবনের উপর বড় ধরনের হুমকি তৈরি হয়েছিল। সেই কারণেই দেশ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছিলেন।তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকলে কোনও সরকারের ভুল হতেই পারে। তবে সেই ভুলের বিচার করার অধিকার জনগণের। দেশের মানুষই ঠিক করবে কোন সরকার ভালো কাজ করেছে আর কোন সরকার ব্যর্থ হয়েছে।আওয়ামী লিগকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন শেখ হাসিনা। তাঁর বক্তব্য, যদি দল সত্যিই মানুষের সমর্থন হারিয়ে থাকে, তাহলে সেই সিদ্ধান্ত জনগণ ভোটের মাধ্যমে নিক। কোনও রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করা যায় না বলেও মত প্রকাশ করেন তিনি।উল্লেখ্য, গত বছরের ছাত্র-যুব আন্দোলন এবং তীব্র রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে ক্ষমতা ছেড়ে দেশ ছাড়তে বাধ্য হন শেখ হাসিনা। এরপর বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। পরে ছাত্র আন্দোলনে গুলি চালানোর অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হয় এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাঁকে গণহত্যার মামলায় সর্বোচ্চ শাস্তি ঘোষণা করে। যদিও সেই রায় তিনি মানতে অস্বীকার করেছিলেন।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, শেখ হাসিনার দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত হতে পারে। পাশাপাশি ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রেও এই সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

জুলাই ১০, ২০২৬
রাজ্য

বাংলাদেশে আটকে থাকার অবসান! বাড়ি ফিরেই প্রথমবার সন্তানের মুখ দেখলেন বাবা, আবেগে ভাসল গোটা গ্রাম

এক বছরের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান। আদালতের নির্দেশে অবশেষে বাংলাদেশ থেকে ভারতে ফিরলেন বীরভূমের পাইকর গ্রামের বাসিন্দা দানিশ শেখ, সুইটি বিবি এবং তাঁদের দুই ছেলে। বুধবার মালদার মহদীপুর সীমান্ত দিয়ে দেশে প্রবেশ করার পর দীর্ঘ পথ পেরিয়ে রাতে নিজের গ্রামে পৌঁছন তাঁরা। পরিবারের সঙ্গে পুনর্মিলনের আবেগঘন মুহূর্তে আনন্দে ভেসে যায় গোটা পরিবার।সবচেয়ে আবেগের মুহূর্ত ছিল দানিশ শেখের জীবনে। চার মাস আগে তাঁর ছোট ছেলে আপনের জন্ম হলেও এতদিন সন্তানের মুখ দেখার সুযোগ পাননি তিনি। বাড়ি ফিরে প্রথমবার ছেলেকে কোলে নিয়ে দানিশ বলেন, জন্মের পর এই প্রথম তিনি নিজের সন্তানের মুখ দেখলেন। পরিবারের সবাইকে কাছে পেয়ে তাঁর দীর্ঘদিনের কষ্ট যেন এক মুহূর্তে দূর হয়ে গেছে।জীবিকার খোঁজে বহু বছর ধরে দিল্লিতে কাজ করতেন পাইকর গ্রামের এই পরিবার। গত বছরের তেইশ জুন তাঁদের বাংলাদেশি সন্দেহে আটক করা হয়। পরিবারের অভিযোগ, নাগরিকত্বের পূর্ণাঙ্গ যাচাই ছাড়াই তাঁদের বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। পরে দীর্ঘদিন তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ না হওয়ায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন এবং থানায় নিখোঁজ ডায়েরিও করা হয়।এরপর তাঁদের দেশে ফিরিয়ে আনার দাবিতে কলকাতা হাই কোর্টে মামলা দায়ের করা হয়। আদালতের নির্দেশের পর ধাপে ধাপে পরিবারের সদস্যদের ভারতে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়। এর আগে অন্তঃসত্ত্বা সোনালি খাতুন ও তাঁর ছোট সন্তান দেশে ফিরলেও দানিশ শেখ, সুইটি বিবি এবং তাঁদের দুই ছেলে বাংলাদেশেই ছিলেন। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে অবশেষে তাঁরাও দেশে ফিরতে সক্ষম হন।বাড়ি ফিরে দানিশ শেখ জানান, পরিবারের সঙ্গে থাকতে পারাই এখন তাঁর সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। তিনি বলেন, যদি নিজের রাজ্যেই কাজের সুযোগ পান, তাহলে আর বাইরে কাজ করতে যেতে চান না। নিজের পরিচয় সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় নথি সম্পূর্ণ করার জন্যও তিনি আবেদন করেছেন।সুইটি বিবিও বাড়ি ফিরে স্বস্তির কথা জানিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, দিল্লিতে আটক হওয়ার সময় তাঁদের উপর অত্যাচার করা হয়েছিল। তিনি দাবি করেন, বারবার ভারতীয় নাগরিক হওয়ার কথা জানালেও তাঁদের কথা শোনা হয়নি। দীর্ঘ এক বছর বাড়ির বাইরে কাটানোর পর অবশেষে নিজের গ্রামে ফিরতে পেরে তিনি এবং তাঁর পরিবার নতুন করে জীবন শুরু করার আশায় রয়েছেন।

জুলাই ০৯, ২০২৬
বিদেশ

তিস্তা নিয়ে বড় চাল চিনের! বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা, ভারতের উদ্বেগ আরও বাড়ল

তিস্তা নদীকে ঘিরে নতুন করে কূটনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশের তিস্তা নদীর ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পে পাশে থাকার বার্তা দিল চিন। সোমবার বেজিং স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এই প্রকল্প বাস্তবায়নে ঢাকাকে সবরকম সাহায্য করতে তারা প্রস্তুত। একই সঙ্গে চিনের দাবি, এই যৌথ উদ্যোগ কোনও তৃতীয় দেশকে লক্ষ্য করে নয় এবং বিষয়টিকে অযথা অন্য দৃষ্টিতে দেখা উচিত নয়।বাংলাদেশে নতুন রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর থেকেই তিস্তা প্রকল্প নিয়ে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। শেখ হাসিনা সরকারের সময় এই প্রকল্পে ভারতের সহযোগিতার কথা ভাবা হলেও বর্তমান প্রশাসন সেই অবস্থান থেকে সরে এসে চিনের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে। এরপর থেকেই ভারতের উদ্বেগ বেড়েছে। কারণ, তিস্তা অববাহিকার অবস্থান ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল এবং গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকার খুব কাছাকাছি।চিনের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন এক সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, বাংলাদেশ ও চিনের সহযোগিতা কোনও তৃতীয় পক্ষের বিরুদ্ধে নয়। তাঁর দাবি, তিস্তা নদীর উন্নয়ন বাংলাদেশের মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রকল্প। সেই কারণে বাংলাদেশ চাইলে এই প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে চিন।শুধু তিস্তাই নয়, জলসম্পদ ব্যবস্থাপনা, বাণিজ্য, অর্থনীতি এবং জনকল্যাণমূলক একাধিক ক্ষেত্রেও বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করতে আগ্রহী বেজিং। দুই দেশের মধ্যে এই সহযোগিতা ভবিষ্যতে আরও বাড়তে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছে চিন।বাংলাদেশ সূত্রে জানা গিয়েছে, তিস্তা-সহ একাধিক নদী উন্নয়নের লক্ষ্যে ঢাকা ও বেজিংয়ের মধ্যে ইতিমধ্যেই সমঝোতা হয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ জল উন্নয়ন বোর্ড এবং চিনের রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা পাওয়ার চায়নার মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। সেই চুক্তির পর থেকেই তিস্তা প্রকল্পের কাজ দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে তিস্তা প্রকল্প ঘিরে বাংলাদেশ ও চিনের ক্রমবর্ধমান ঘনিষ্ঠতার দিকে কড়া নজর রাখছে ভারত। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রকল্পটির ভৌগোলিক অবস্থান এবং কৌশলগত গুরুত্বের কারণে ভবিষ্যতে এই বিষয়টি দক্ষিণ এশিয়ার কূটনীতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

জুন ২৯, ২০২৬
দেশ

‘আগুনে পুড়েও আরও শক্তিশালী হয়েছি’! আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ নিয়ে বিস্ফোরক দাবি শেখ হাসিনার

বাংলাদেশে ক্ষমতা হারানোর পর দেশ ছেড়ে যেতে হয়েছে শেখ হাসিনাকে। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগের তদন্ত চলছে। একই সঙ্গে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রমও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে এত কিছুর পরেও দলকে শেষ হয়ে গেছে বলে মানতে নারাজ বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেছেন, আওয়ামী লীগকে কোনও নিষেধাজ্ঞা বা রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত দিয়ে মানুষের মন থেকে মুছে ফেলা সম্ভব নয়।শেখ হাসিনার কথায়, আওয়ামী লীগ কোনও কাগজে লেখা সংগঠনের নাম নয়। এটি বাংলাদেশের ইতিহাস, মানুষের আবেগ এবং দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা একটি শক্তি। গত সাতাত্তর বছরের ইতিহাসে বহুবার হামলা, নিষেধাজ্ঞা এবং দমন-পীড়নের মুখে পড়েও দল বারবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে। তাঁর দাবি, এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না।তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ কোনও সরকারের সদিচ্ছা বা বিরোধীদের ব্যর্থতার ওপর নির্ভর করে না। মানুষের সমর্থনই দলের সবচেয়ে বড় শক্তি। সেই সমর্থনের জোরেই অতীতে সরকারে থেকে উন্নয়নের কাজ করা সম্ভব হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা থেকে সরানো হয়েছে। কিন্তু সাধারণ মানুষের হৃদয় থেকে দলকে সরানো যায়নি।বর্তমান বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও সরব হয়েছেন শেখ হাসিনা। তাঁর অভিযোগ, বর্তমান শাসনব্যবস্থায় গণতন্ত্র, আইনের শাসন এবং মানুষের নিরাপত্তা প্রশ্নের মুখে পড়েছে। অর্থনীতি দুর্বল হয়েছে, সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনা বেড়েছে এবং উগ্রপন্থার বিস্তার ঘটছে বলেও দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে নিপীড়ন চালানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী।তিনি বলেন, দেশের মানুষ অতীত ও বর্তমানের তুলনা করতে পারছেন। তাঁদের উপলব্ধি হচ্ছে, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালীন দেশে স্থিতিশীলতা, উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছিল। সেই কারণেই ভবিষ্যতেও জনগণের সমর্থন নিয়ে দল আবার ঘুরে দাঁড়াবে বলে তাঁর বিশ্বাস।দলের সাংগঠনিক শক্তির প্রসঙ্গ তুলে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের প্রতিটি এলাকা এবং মানুষের সঙ্গে আওয়ামী লীগের দীর্ঘ সম্পর্ক রয়েছে। স্বাধীনতা সংগ্রাম থেকে শুরু করে দেশের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে এই দলের ভূমিকা রয়েছে। সেই ঐতিহ্যই আগামী দিনের লড়াইয়ের মূল শক্তি হবে বলে তিনি মনে করেন।তিনি আরও বলেন, যত বেশি দমন-পীড়ন হবে, আওয়ামী লীগ ততই শক্তিশালী হবে। আগুনে যেমন সোনা আরও বিশুদ্ধ হয়, তেমনই প্রতিকূল পরিস্থিতি দলকে আরও দৃঢ় করে তুলছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে শেখ হাসিনা ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, প্রতিটি গ্রাম, মহল্লা, ওয়ার্ড এবং ইউনিয়নে মানুষের পাশে থাকতে হবে। সংখ্যালঘু, নারী, শিশু, শ্রমজীবী এবং প্রান্তিক মানুষের অধিকার ও নিরাপত্তার প্রশ্নে আপস না করারও বার্তা দেন তিনি।শেষে শেখ হাসিনা স্পষ্ট করে বলেন, আওয়ামী লীগের পুনরুত্থান কোনও সরকারের দয়া বা অনুমতির ওপর নির্ভর করে না। জনগণের সমর্থনই দলের আসল শক্তি। নিষেধাজ্ঞা, মামলা কিংবা রাজনৈতিক বাধা যতই আসুক, মানুষের বিশ্বাস থাকলে আওয়ামী লীগ আবারও বাংলাদেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে ফিরে আসবে বলেই তাঁর দাবি।

জুন ২৮, ২০২৬
দেশ

বাংলাদেশকে কড়া বার্তা ভারতের! দিল্লির বৈঠকে ‘পুশব্যাক’ নিয়ে বড় সিদ্ধান্তের ইঙ্গিত

অনুপ্রবেশ এবং পুশব্যাক নীতি নিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা শুরু হতে চলেছে। আজ থেকে ১১ জুন পর্যন্ত নয়াদিল্লিতে বিএসএফ এবং বিজিবির উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। সীমান্ত নিরাপত্তা, অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং অনুপ্রবেশকারীদের ফেরত পাঠানোর বিষয়টি এই বৈঠকের প্রধান আলোচ্য বিষয় হতে পারে বলে সূত্রের খবর।বিএসএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, বৈঠকে ভারত স্পষ্টভাবে জানাতে পারে যে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে প্রবেশ করা অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বাংলাদেশকে গ্রহণ করতেই হবে। এ ক্ষেত্রে কোনও ধরনের অজুহাত গ্রহণ করা হবে না বলেও বার্তা দেওয়া হতে পারে। প্রয়োজনে সীমান্তের বাংলাদেশ অংশে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং বেড়া তৈরির বিষয়েও আলোচনা হতে পারে।ভারতীয় কর্তৃপক্ষের মতে, সীমান্ত নিরাপত্তার প্রশ্নে কোনও আপস করা হবে না। একই সঙ্গে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর অবস্থান নেওয়ার বিষয়টিও বৈঠকে গুরুত্ব পেতে চলেছে।এই বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মুহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী। অন্যদিকে ভারতীয় প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে থাকবেন বিএসএফ প্রধান প্রবীণ কুমার।সম্প্রতি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছেন, কয়েক হাজার বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। সেই আবহেই এই বৈঠককে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।সূত্রের খবর, অনুপ্রবেশ রোধ, অবৈধভাবে ভারতে বসবাসকারীদের শনাক্তকরণ এবং তাঁদের বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের বিষয়গুলি বৈঠকে উঠে আসতে পারে। পাশাপাশি সীমান্তে বিএসএফ জওয়ানদের উপর হামলার অভিযোগ নিয়েও আলোচনা হতে পারে।ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের বেশ কিছু অংশে দীর্ঘদিন ধরে কাঁটাতার নির্মাণের সমস্যা ছিল। জমি সংক্রান্ত জটিলতার কারণে অনেক এলাকায় কাজ এগোচ্ছিল না। তবে সেই সমস্যার একটি বড় অংশের সমাধান হয়েছে বলে জানা গিয়েছে এবং প্রয়োজনীয় জমিও বিএসএফকে দেওয়া হয়েছে।বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির পর এই বৈঠকের দিকে বিশেষ নজর রয়েছে নয়াদিল্লির। কেন্দ্রীয় সরকারের একাংশ মনে করছে, সীমান্ত এবং অনুপ্রবেশের মতো জটিল সমস্যা শুধুমাত্র রাজনৈতিকভাবে নয়, কূটনৈতিক এবং প্রশাসনিক স্তরেও সমাধান করতে হবে।বিএসএফ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, অবৈধ অনুপ্রবেশকারী এবং অবৈধভাবে বসবাসকারীদের রাখার জন্য বিভিন্ন জেলায় বিশেষ হোল্ডিং সেন্টার তৈরি করা হয়েছে। অনুপ্রবেশ রোধে বিজিবিকে আরও সক্রিয় ভূমিকা নেওয়ার অনুরোধও জানাতে পারে ভারত।ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে প্রায় চার হাজার ছিয়ানব্বই কিলোমিটার দীর্ঘ আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় আটশো ষাট কিলোমিটার এলাকায় এখনও কাঁটাতার নেই। আবার প্রায় একশো চুয়াত্তর কিলোমিটার সীমান্তে ভৌগোলিক এবং অন্যান্য কারণে কাঁটাতার নির্মাণ করা সম্ভব নয়। ফলে সীমান্ত নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে দুই দেশের এই বৈঠক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

জুন ০৮, ২০২৬
দেশ

হোটেলে আগুন, তদন্তে বিস্ফোরক মোড়! বাংলাদেশিদের জাল আধার-পাসপোর্ট বানানোর অভিযোগ মালিকের বিরুদ্ধে

দিল্লির একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার তদন্তে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থার একাধিক গাফিলতির অভিযোগের মধ্যেই এবার উঠে এসেছে জাল পরিচয়পত্র চক্রের অভিযোগ। তদন্তে জানা গিয়েছে, হোটেলের মালিক লাভকেশ বাজাজের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে ভারতে থাকা বাংলাদেশি নাগরিকদের জাল নথি তৈরিতে সাহায্য করার অভিযোগ রয়েছে। এই ঘটনার পর দিল্লির সমস্ত হোটেল, রেস্তরাঁ, ব্যাঙ্কোয়েট হল এবং সিনেমা হলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নতুন করে পর্যালোচনার দাবি উঠেছে।পুলিশ সূত্রে খবর, টাকার বিনিময়ে বাংলাদেশি নাগরিকদের নিজের ছত্তরপুরের আবাসিক ঠিকানা ব্যবহার করার অনুমতি দিতেন লাভকেশ বাজাজ। অভিযোগ, সেই ঠিকানা ব্যবহার করে আধার কার্ড, পাসপোর্ট-সহ একাধিক ভারতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করা হত। অগ্নিকাণ্ডের তদন্ত চলাকালীন এই পুরনো মামলার তথ্যও ফের সামনে এসেছে।জানা গিয়েছে, গত বছরের জানুয়ারিতে দিল্লির পাহাড়গঞ্জ এলাকায় জাল নথি ব্যবহার করে এক বাংলাদেশি পরিবারের থাকার খবর পায় পুলিশ। তদন্তে একটি বাড়ি থেকে এক মহিলা এবং তাঁর নাতিকে আটক করা হয়। তাঁদের কাছ থেকে একাধিক পাসপোর্ট, আধার কার্ড এবং ব্যাঙ্ক সংক্রান্ত নথি উদ্ধার করা হয়েছিল। তদন্তকারীদের দাবি, উদ্ধার হওয়া বিভিন্ন পরিচয়পত্রে আলাদা নাম ও ঠিকানা থাকলেও ছবিটি ছিল একই ব্যক্তির।পুলিশের দাবি, ওই জাল নথিগুলির মধ্যে থাকা একটি ঠিকানা দক্ষিণ দিল্লির ছত্তরপুর এলাকার। তদন্তে সেই ঠিকানার সূত্র ধরেই লাভকেশ বাজাজের নাম উঠে আসে। পরে জেরায় তিনি নাকি স্বীকার করেন যে, অর্থের বিনিময়ে নিজের ঠিকানা ব্যবহার করার অনুমতি দিয়েছিলেন।এর আগে জালিয়াতি চক্রে যুক্ত থাকার অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছিল। কিছুদিন জেলে থাকার পর তিনি জামিনে মুক্তি পান। এবার হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার তদন্তে নতুন করে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়টি সামনে আসায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।দিল্লি পুলিশের তদন্ত এখন দুই দিকেই এগোচ্ছে। একদিকে অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও নিরাপত্তা গাফিলতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে, অন্যদিকে জাল পরিচয়পত্র চক্রের সঙ্গে অভিযুক্তের সম্ভাব্য যোগও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারীদের মতে, এই দুই ঘটনার মধ্যে কোনও সংযোগ রয়েছে কি না, সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

জুন ০৬, ২০২৬
রাজ্য

সীমান্তে ফের লম্বা লাইন! আতঙ্কে বাংলাদেশে ফিরতে শুরু করলেন সন্দেহভাজন অনুপ্রবেশকারীরা

রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর অনুপ্রবেশ ইস্যুতে ফের সরগরম হয়ে উঠেছে সীমান্ত এলাকা। ডিটেক্ট-ডিলিট-ডিপোর্ট নীতি কার্যকর করতে ইতিমধ্যেই জেলায় জেলায় হোল্ডিং সেন্টার তৈরির নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশের পর প্রশাসনিক তৎপরতাও অনেকটাই বেড়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের।এরই মধ্যে বসিরহাটের স্বরূপনগর ব্লকের হাকিমপুর চেকপোস্ট এলাকায় ফের দেখা গেল চাঞ্চল্যকর ছবি। সীমান্তের কাছে বহু মহিলা, পুরুষ ও যুবককে ছোট ছোট ব্যাগ নিয়ে অপেক্ষা করতে দেখা গিয়েছে। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, এদের অনেকেই সন্দেহভাজন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী, যারা বর্তমানে বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।কয়েক মাস আগেও একই ধরনের ছবি দেখা গিয়েছিল। তখনও সীমান্ত এলাকা দিয়ে বহু মানুষ বাংলাদেশে ফিরে গিয়েছিলেন বলে জানা যায়। স্থানীয় সূত্রের দাবি, এদের অনেকেই দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় নির্মাণ শ্রমিক, মাছের ভেড়িতে কাজ কিংবা দৈনিক মজুরির বিভিন্ন পেশার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।সোমবার দুপুরে হাকিমপুর সীমান্ত এলাকায় উপস্থিত কয়েকজন জানান, দালালচক্রের মাধ্যমে এক থেকে দেড় বছর আগে তাঁরা সীমান্ত পেরিয়ে এ রাজ্যে এসেছিলেন। কিন্তু বর্তমানে প্রশাসনের কড়াকড়ি এবং নজরদারি বাড়ায় তাঁরা ফের বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর সীমান্ত এলাকায় পুলিশ ও প্রশাসনের নজরদারি অনেকটাই বেড়েছে। বিভিন্ন এলাকায় পরিচয়পত্র যাচাই, ভাড়াবাড়িতে তল্লাশি এবং সন্দেহভাজনদের উপর নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।যদিও প্রশাসনের তরফে এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। তবে সীমান্ত এলাকায় নজরদারি আরও শক্তিশালী করা হয়েছে বলে প্রশাসনের একাংশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

মে ২৬, ২০২৬
দেশ

সীমান্তে বড় অভিযান! বাংলায় আসছেন অমিত শাহ, অনুপ্রবেশ রুখতে কড়া বার্তা কেন্দ্রের

অনুপ্রবেশ রুখতে কেন্দ্রের নীতি এখন আরও কঠোর। ডিটেক্ট, ডিলিট, ডিপোর্ট নীতিকে সামনে রেখেই দেশজুড়ে সীমান্ত নিরাপত্তায় জোর দিচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। এরই মধ্যে সীমান্ত পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে চার রাজ্যে সফরে বের হচ্ছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সেই তালিকায় রয়েছে পশ্চিমবঙ্গও।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার থেকেই শুরু হচ্ছে অমিত শাহের এই সীমান্ত সফর। প্রথমে তিনি যাবেন রাজস্থানের বিকানেরে। সেখানে সীমান্ত এলাকার নিরাপত্তা পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখবেন তিনি। পাশাপাশি সীমান্ত লাগোয়া জেলার জেলাশাসক, পুলিশ সুপার, প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিক, বিএসএফ এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের আধিকারিকদের নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করবেন।আগামী ১৫ জুন পশ্চিমবঙ্গে আসার কথা রয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফের কাজ এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখবেন তিনি। সীমান্ত এলাকার একটি বিএসএফ পোস্টেও যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে তাঁর। এছাড়াও সীমান্তবর্তী জেলার প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন অমিত শাহ।রাজ্য ইতিমধ্যেই বিএসএফকে জমি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। তার মধ্যেই অমিত শাহের এই সফরকে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। সীমান্ত নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করতে স্থানীয় প্রশাসন এবং বিএসএফকে একযোগে কাজ করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রের তরফে।কেন্দ্রের দাবি, সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ পুরোপুরি বন্ধ করাই এখন প্রধান লক্ষ্য। জনবিন্যাসের পরিবর্তন রুখতে এবং সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করতেই এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।

মে ২৬, ২০২৬
দেশ

সীমান্তে বড় বদল! ড্রোন-ক্যামেরায় নজরদারি, ‘স্মার্ট বর্ডার’ নিয়ে বড় ঘোষণা অমিত শাহের

অনুপ্রবেশ রুখতে এবার আরও কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছে কেন্দ্র সরকার। পাকিস্তান ও বাংলাদেশ সীমান্তে নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করতে স্মার্ট বর্ডার তৈরির পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শুক্রবার নয়াদিল্লিতে বিএসএফের বার্ষিক রুস্তমজি মেমোরিয়াল অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি জানান, আগামী এক বছরের মধ্যেই এই প্রকল্পের কাজ শুরু হবে।অমিত শাহ বলেন, প্রায় ৬ হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ আন্তর্জাতিক সীমান্তে শুধুমাত্র জওয়ান মোতায়েন করে নজরদারি চালানো অত্যন্ত কঠিন। তাই এবার সীমান্ত পাহারায় ব্যবহার করা হবে আধুনিক প্রযুক্তি। সীমান্ত এলাকায় থাকবে ড্রোন, হাই রেজলিউশন ক্যামেরা এবং একাধিক আধুনিক নজরদারি যন্ত্র। পাশাপাশি বিএসএফ, পুলিশ এবং স্থানীয় প্রশাসনের মধ্যে তথ্য আদানপ্রদান আরও শক্তিশালী করতে গোয়েন্দা নেটওয়ার্ক বাড়ানোর নির্দেশও দিয়েছেন তিনি।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দাবি, স্মার্ট বর্ডার তৈরি হলে সীমান্ত আরও দুর্ভেদ্য হয়ে উঠবে। অনুপ্রবেশ এবং জনবিন্যাস বদলের যে চেষ্টা চলছে, তাতেও অনেকটাই লাগাম টানা সম্ভব হবে। তিনি আরও জানান, পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা এবং অসম সরকার অনুপ্রবেশ রুখতে কেন্দ্রের নীতিকে সমর্থন করেছে। প্রতিটি অনুপ্রবেশকারীকে চিহ্নিত করে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বলেও দাবি করেন শাহ।বাংলায় সরকার বদলের পর সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিন কাঁটাতার বসানো নিয়ে জমি সমস্যার কারণে কাজ আটকে ছিল। তবে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দায়িত্ব নেওয়ার পর বিএসএফকে জমি হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এরপর সম্প্রতি বাংলায় পুশব্যাক আইন কার্যকর করার ঘোষণাও করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন, এবার থেকে অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশিদের সরাসরি বিএসএফের হাতে তুলে দেবে পুলিশ। পরে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে তাঁদের বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হবে।এই ঘোষণার পর মতুয়া সমাজের একাংশের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। যদিও মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন, সিএএ-র আওতায় থাকা কোনও হিন্দু ধর্মাবলম্বী বা বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং আফগানিস্তান থেকে আসা নির্যাতিত সংখ্যালঘুদের দেশছাড়া করা হবে না। বরং নিয়ম মেনে তাঁদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া হবে।এর মধ্যেই দিল্লিতে গিয়ে অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠকও করেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই বৈঠকের পরই শাহের স্মার্ট বর্ডার ঘোষণা রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

মে ২৩, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

দিঘার মন্দিরের প্রসাদ বিতরণেও টেন্ডার দুর্নীতির অভিযোগ! তদন্তে নেমে কী পেল লালবাজার?

দিঘার জগন্নাথ মন্দিরে প্রসাদ বিতরণ থেকে অমিতাভ বচ্চনের জন্মদিন পালনপর্যটন দফতরের একাধিক কাজের বরাত পেয়েছে প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের সঙ্গে যুক্ত তিনটি সংস্থা। গত পাঁচ বছরে এমন অন্তত ১৫০টি টেন্ডারের খোঁজ পেয়েছেন লালবাজারের গোয়েন্দারা। অভিযোগ, ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে ওই তিনটি সংস্থাকেই কাজের বরাত দেওয়া হয়েছে। পর্যটন দফতরের টেন্ডার নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে লালবাজারের বিশেষ তদন্তকারী দল।ইউনেস্কোর নাম ব্যবহার করে দুর্গাপুজোর প্রবেশপত্র বিক্রির অভিযোগের পাশাপাশি এ বার পর্যটন দফতরের টেন্ডার নিয়েও তদন্ত শুরু হয়েছে। গোয়েন্দাদের প্রাথমিক দাবি, গত পাঁচ বছরে অন্তত ১৫০টি টেন্ডার পেয়েছে ইন্দ্রনীল সেনের সঙ্গে যুক্ত তিনটি সংস্থা। এই টেন্ডারগুলির মোট আর্থিক মূল্য কয়েকশো কোটি টাকা কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।লালবাজার সূত্রে খবর, বিভিন্ন সময়ে ব্যানার লাগানো, রেড রোডে কার্নিভালের আয়োজন, রাস্তা সাজানো, অমিতাভ বচ্চনের জন্মদিন পালন, দিঘার জগন্নাথ মন্দিরে প্রসাদ বিতরণ এবং বিভিন্ন জায়গায় মিষ্টি বিলির মতো কাজের জন্য টেন্ডার দিয়েছিল পর্যটন দফতর। গোয়েন্দাদের দাবি, এই কাজগুলির অধিকাংশের বরাত পেয়েছে ওই তিনটি সংস্থা। সংস্থাগুলির সঙ্গে ইন্দ্রনীলের ঘনিষ্ঠদের যোগ রয়েছে বলেও দাবি তদন্তকারীদের। সেগুলির উপর প্রাক্তন মন্ত্রীর নিয়ন্ত্রণ ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এই তদন্তের মধ্যেই বুধবারও লালবাজারে হাজিরা দেননি ইন্দ্রনীলের মেয়ে আভেরি সেন। এর আগে মঙ্গলবারও তাঁকে তলব করা হয়েছিল। সে দিন অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে হাজিরা এড়ান তিনি। বুধবার ফের তাঁকে নোটিস পাঠানো হয়। পুলিশ সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার তাঁকে আবার হাজির হতে বলা হয়েছে। এ বারও হাজির না হলে তাঁর বিরুদ্ধে কড়া আইনি পদক্ষেপ করা হতে পারে। প্রয়োজনে গ্রেফতারির কথাও ভাবা হচ্ছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।গোয়েন্দাদের দাবি, ইন্দ্রনীলের সংস্থার সঙ্গে তাঁর মেয়ের সংস্থার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকার লেনদেন হয়েছে। তাঁর স্ত্রী ও মেয়ের অ্যাকাউন্টেও কয়েক কোটি টাকা পাঠানো হয়েছিল বলে অভিযোগ। পরে সেই টাকা আবার ইন্দ্রনীলের সংস্থায় ফিরে যায় কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। এই আর্থিক লেনদেনের সূত্র ধরেই আভেরিকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চান তাঁরা।সূত্রের খবর, জেরায় ইন্দ্রনীল সেন দাবি করেছেন, দুর্নীতির বিষয়ে তাঁর স্ত্রী সব জানেন, তিনি নিজে কিছু জানেন না। এই বক্তব্যের সত্যতা যাচাই করতে প্রয়োজনে তাঁর স্ত্রীকে ফের জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে।পর্যটন দফতরের টেন্ডার সংক্রান্ত অভিযোগে তদন্ত আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে চাইছে লালবাজার। এই মামলায় নতুন এমপিও আইন প্রয়োগ করা যায় কি না, তা নিয়েও বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করছেন তদন্তকারীরা। তবে টেন্ডার বণ্টন বা আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে কোনও বেআইনি কাজ হয়েছিল কি না, তা তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত স্পষ্ট হবে না।

নভেম্বর ০৪, ২০২৬
কলকাতা

ইন্দ্রনীল সেনের গ্রেপ্তারির পর উধাও ছিলেন ‘ঘনিষ্ঠ’ শুভ, শেষ পর্যন্ত কোথা থেকে ধরল পুলিশ?

পুজোর পাস বিক্রির মামলায় গ্রেপ্তার হলেন ইন্দ্রনীল সেনের ঘনিষ্ঠ ধ্রুবজ্যোতি বসু ওরফে শুভ। তদন্তকারীদের দাবি, এই মামলায় তিনি অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত। ইন্দ্রনীল গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকেই পলাতক ছিলেন শুভ। তিনি ইন্দ্রনীলের সংস্থা মাস আর্ট-এর সচিব ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। সম্প্রতি কলকাতা হাই কোর্টে তাঁর আগাম জামিনের আবেদনও খারিজ হয়ে যায়। বুধবার রাতে মধ্য কলকাতার পোদ্দার কোর্টের কাছ থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে লালবাজারের বিশেষ তদন্তকারী দল।এই গ্রেপ্তারি নিয়ে মুখ খুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর অভিযোগ, অভিযুক্তেরা কোটি কোটি টাকা চুরি করেছেন। ইন্দ্রনীলকে ডাকাত এবং ধ্রুবজ্যোতিকে নিকৃষ্টতম চোর বলে কটাক্ষ করেন তিনি।তদন্তকারীদের দাবি, পুজোর পাস বিক্রির পাশাপাশি সরকারি বিভিন্ন কাজের টেন্ডার পাইয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রেও অনিয়ম হয়েছে। পর্যটন কেন্দ্রের লজ সংস্কার, বইমেলা, গানমেলা এবং চলচ্চিত্র উৎসবের মতো সরকারি অনুষ্ঠানের কাজ ঘনিষ্ঠ সংস্থাগুলিকে পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এইভাবে প্রায় ৩০০ কোটি টাকার বেশি কাটমানি নেওয়া হয়েছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। তাঁদের অভিযোগ, সেই টাকা ইন্দ্রনীল নিজে এবং তাঁর আত্মীয়দের সংস্থার মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরানো হয়েছে।পুলিশের দাবি, মন্ত্রিত্বের প্রভাব খাটিয়ে ইন্দ্রনীল তাঁর ঘনিষ্ঠ কয়েকটি সংস্থাকে সরকারি কাজের বরাত পাইয়ে দিতেন। আদালতে তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, এই দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত তিন জনের গোপন জবানবন্দি ইতিমধ্যেই নেওয়া হয়েছে।তদন্তে উঠে এসেছে মাস আর্ট সোসাইটি, গিডি ক্রিয়েশন, থার্ড আই ক্রিয়েশন এবং রূপকার নামে কয়েকটি সংস্থার নাম। অভিযোগ, বিভিন্ন মেলা ও অনুষ্ঠানের কাজের বরাত পেত এই সংস্থাগুলি। তদন্তকারীদের দাবি, একটি পর্যায়ে গিডি ক্রিয়েশন ৫৩ কোটি ৪৬ লক্ষ টাকার কাজের বরাত পেয়েছিল। থার্ড আই ক্রিয়েশন-এর হাতে যায় ৫০ কোটি ৩১ লক্ষ টাকার কাজ। অথচ নিয়ম অনুযায়ী, এই সংস্থার অনুষ্ঠান আয়োজনের আগের অভিজ্ঞতা ছিল না বলে অভিযোগ।অন্য দুটি সংস্থাকেও আলাদা খাতে প্রায় ৬০ কোটি টাকার কাজ দেওয়া হয়েছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি। তাঁদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, থার্ড আই ক্রিয়েশন ৩৬ কোটি ৯ লক্ষ ১৪ হাজার টাকার এবং রূপকার ৮ কোটি ২১ লক্ষ ৩৩ হাজার টাকার কাজের বরাত পেয়েছিল।তদন্তকারীদের আরও অভিযোগ, গিডি ক্রিয়েশন থেকে সরাসরি ইন্দ্রনীলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ১ কোটি ২৮ লক্ষ টাকা জমা পড়েছিল। কাজের বরাত পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে ইন্দ্রনীলের স্ত্রী ও মেয়ের অ্যাকাউন্টেও কাটমানির টাকা পাঠানো হয়েছে বলে অভিযোগ। গিডি ক্রিয়েশন থেকে সাড়ে ৪ লক্ষ টাকা এবং থার্ড আই ক্রিয়েশন থেকে ৬৬ লক্ষ টাকা মাস আর্ট-এর অ্যাকাউন্টে গিয়েছে বলে তদন্তে উঠে এসেছে। এ ছাড়া, গিডি ক্রিয়েশন থেকে ইন্দ্রনীলের মেয়ের অ্যাকাউন্টে ২২ লক্ষ ৪৭ হাজার টাকা পাঠানোর অভিযোগও রয়েছে।তদন্তকারীদের দাবি, মোট ২০টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে এই লেনদেন হয়েছে। আদালতে পুলিশ জানিয়েছে, সরকারি কাজের বরাত পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে আরও বিপুল পরিমাণ কাটমানি লেনদেনের তথ্য সামনে আসতে পারে। সেই দিকেও তদন্ত চলছে।

নভেম্বর ০৪, ২০২৬
রাজ্য

পাহাড়ে উঠতে পারবেন না সবাই? সান্দাকফু ভ্রমণে কী কড়া নিয়ম আনল জিটিএ?

সান্দাকফু ও ফালুটে বেড়াতে যাওয়ার আগে এ বার থেকে আরও সতর্ক হতে হবে পর্যটকদের। পাহাড়ে ওঠার আগে স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং শারীরিক সক্ষমতার শংসাপত্র দেখানো বাধ্যতামূলক করল গোর্খাল্যান্ড টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বা জিটিএ। পর্যটকদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে সান্দাকফু-ফালুট রুটে একাধিক নতুন ব্যবস্থাও করা হচ্ছে। থাকছে অক্সিজেন সিলিন্ডার, প্রাথমিক চিকিৎসার সরঞ্জাম এবং জরুরি অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা।জিটিএ সূত্রে খবর, সান্দাকফু-ফালুট রুটের থাকুম ভ্যালি, সাবারগ্রাম এবং ফালুটে ট্রেকার ও সাধারণ পর্যটকদের জন্য রাতে থাকার জায়গায় নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেখানে পাঠানো হয়েছে অক্সিজেন সিলিন্ডার, অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র, পালস অক্সিমিটার এবং প্রাথমিক চিকিৎসার বাক্স। অসুস্থ পর্যটকদের দ্রুত পাহাড়ের নীচে নামিয়ে আনার জন্য মানেভঞ্জনে ২৪ ঘণ্টার জরুরি অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবাও চালু রাখা হয়েছে।শুধু সরঞ্জাম দেওয়াই নয়, জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্থানীয় হোমস্টে কর্তৃপক্ষ, গাড়িচালক ও গাইডদের প্রশিক্ষণও দেওয়া হচ্ছে। ট্রেকিং রুট এবং ল্যান্ডরোভার সংগঠনের মাধ্যমে তাঁদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছে জিটিএ। কোনও পর্যটক অসুস্থ হয়ে পড়লে কী ভাবে দ্রুত সাহায্য করতে হবে, তা শেখানো হচ্ছে তাঁদের।গাইড ও গাড়িচালকদের স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, কোনও পর্যটকের তীব্র মাথাব্যথা, বমি ভাব, মাথা ঘোরা, শ্বাসকষ্ট কিংবা হাঁটতে অসুবিধা হলে তাঁকে আর উপরে উঠতে দেওয়া যাবে না। দ্রুত নীচে নামিয়ে আনার ব্যবস্থা করতে হবে। পর্যটক ও স্থানীয়দের সাহায্যের জন্য মানেভঞ্জনে পর্যটক তথ্যকেন্দ্র এবং সান্দাকফুতেও বিশেষ কর্মী রাখা হয়েছে।জিটিএ-র পর্যটন বিভাগ এ বিষয়ে নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে। সেই নির্দেশ অনুযায়ী, সান্দাকফু ও ফালুটে ট্রেকিং করতে যাওয়া পর্যটকদের যাত্রা শুরুর আগে শারীরিক সক্ষমতার শংসাপত্র দেখাতে হবে। ল্যান্ডরোভারে যাঁরা সেখানে যাবেন, তাঁদের ক্ষেত্রেও এই নিয়ম প্রযোজ্য। শংসাপত্র না থাকলে মানেভঞ্জনের উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে হবে। পরীক্ষায় কেউ পাহাড়ে ওঠার অনুপযুক্ত বলে বিবেচিত হলে তাঁকে আর উপরে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে না।জিটিএ-র পর্যটন বিভাগের কর্তা দাওয়া গ্যালপো শেরপা জানিয়েছেন, পর্যটকদের নিরাপত্তার কথা ভেবেই এই ব্যবস্থা করা হয়েছে।প্রসঙ্গত, দার্জিলিং জেলার সিঙ্গালিলা শৈলশিরায়, ভারত-নেপাল সীমান্তের কাছে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১২ হাজার ফুট উচ্চতায় অবস্থিত সান্দাকফু ও ফালুট। ট্রেকিং কিংবা বেড়াতে গিয়ে উচ্চতার কারণে অক্সিজেনের অভাবে অনেক পর্যটক অসুস্থ হয়ে পড়েন। কখনও কখনও প্রাণহানির ঘটনাও ঘটে। সেই বিপদ এড়াতেই পর্যটকদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা থেকে জরুরি চিকিৎসাসব দিকেই নজর বাড়াচ্ছে জিটিএ।

নভেম্বর ০৪, ২০২৬
দেশ

‘প্রতিবাদের যুগ চলছে, আদালতে এলেন কেন?’ সংরক্ষণ মামলায় আবেদনকারীকে প্রশ্ন প্রধান বিচারপতির

প্রশ্নফাঁস থেকে ভোটচুরি, নির্বাচন ও এসআইআর নিয়ে দেশজুড়ে চলছে প্রতিবাদ-বিক্ষোভ। এই আবহেই সংরক্ষিত বিধানসভা আসনে পরিবর্তনের দাবি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন উত্তরপ্রদেশের এক ভোটার। শুনানির সময় তাঁকে প্রশ্ন করলেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। আন্দোলনের পথে না হেঁটে তিনি আদালতে এলেন কেন, তা জানতে চান প্রধান বিচারপতি। তাঁর মন্তব্য, এটা প্রতিবাদ ও বিক্ষোভের যুগ। সম্ভবত আপনারও সেই পথ অনুসরণ করা উচিত ছিল। জবাবে আবেদনকারীর আইনজীবী জানান, তাঁদের প্রতিবাদ করার কোনও ইচ্ছা নেই। তা ছাড়া তাঁর গলাও ব্যথা।উত্তরপ্রদেশের সুলতানপুর জেলার ১৯১-কাদিপুর বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটার জগদীশ সিং এই মামলা করেছেন। তাঁর দাবি, ১৯৫২ সালের প্রথম নির্বাচন থেকে গত সাত দশকেরও বেশি সময় ধরে কাদিপুর বিধানসভা আসনটি তফসিলি জাতির প্রার্থীদের জন্য সংরক্ষিত। এই ব্যবস্থায় মাত্র চার-পাঁচটি পরিবার উপকৃত হয়েছে বলেও অভিযোগ তাঁর।জগদীশের দাবি, লোকসভা ও বিধানসভা আসনে তফসিলি জাতি এবং তফসিলি উপজাতিদের জন্য সংরক্ষণের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময় অন্তর পরিবর্তন আনার ব্যবস্থা করা হোক। পঞ্চায়েত ও পুরসভা নির্বাচনে যেমন পর্যায়ক্রমে সংরক্ষিত আসন বদলের নিয়ম রয়েছে, বিধানসভা আসনের ক্ষেত্রেও তেমন ব্যবস্থা চালুর কথা বিবেচনা করার জন্য কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিক আদালত।আবেদনকারীর যুক্তি, সংরক্ষিত আসন পরিবর্তনের কোনও নির্দিষ্ট ব্যবস্থা না থাকায় সংবিধানের ১৪, ১৫ ও ১৯ নম্বর অনুচ্ছেদের অধিকার ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। তাঁর দাবি, এর ফলে ওই কেন্দ্রের ভোটারেরা প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে সীমিত সুযোগ পান। কারণ, তাঁরা কেবল তফসিলি জাতির প্রার্থীদেরই ভোট দিতে পারেন।মামলার শুনানি হয় প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনের বেঞ্চে। শুনানিতে বিচারপতিরা জানান, ভোটদানের ক্ষেত্রে ভোটারেরা যে জাতপাতকেই একমাত্র গুরুত্ব দেন, এমনটা ধরে নেওয়া যায় না।বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, বহুদলীয় গণতন্ত্রে ভোটারেরা প্রার্থীর ধর্ম বা জাতপাতের বদলে রাজনৈতিক দল এবং তাদের আদর্শ বিবেচনা করে ভোট দেবেন, সেটাই প্রত্যাশিত।তবে সংরক্ষিত আসনের ক্ষেত্রে পর্যায়ক্রমে পরিবর্তন আনার দাবিতে হস্তক্ষেপ করতে রাজি হয়নি সুপ্রিম কোর্টের তিন বিচারপতির বেঞ্চ। ফলে আবেদনকারীর দাবি আপাতত আদালতের সমর্থন পেল না।

নভেম্বর ০৪, ২০২৬
রাজ্য

‘মবোক্রেসি গণতন্ত্রের বিকল্প নয়’, কৃষ্ণনগরে দাঁড়িয়ে কাদের নিশানা করলেন শমীক?

কৃষ্ণনগরেও বিজেপির গণতন্ত্র বাঁচাও পদযাত্রা। বুধবার এই কর্মসূচিকে ঘিরে প্রতিবাদ মিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করে বিজেপি। উপস্থিত ছিলেন দলের রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। কৃষ্ণনগরের পোস্ট অফিস মোড়ে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে তথাকথিত ককরোচ পার্টির নেতাদের কুশপুতুল এবং আরশোলার প্রতীকী মূর্তি পোড়ান বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা। দেশের অখণ্ডতা ও সংহতি নষ্ট করার চেষ্টা হচ্ছে, এই অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা।সমাবেশ থেকে তৃণমূল কংগ্রেসকে আক্রমণ করেন শমীক। তাঁর অভিযোগ, পরিবারতন্ত্র থেকেই দুর্নীতি ও স্বৈরাচারের জন্ম হয়। পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতেও তার প্রভাব পড়েছে। তাঁর আরও দাবি, বিদেশি মদতে কিছু শক্তি দেশে অশান্তি তৈরির চেষ্টা করছে। টুকরে টুকরে গ্যাং-এর সদস্যেরা সাধারণ মানুষকে উস্কে দিয়ে বিশৃঙ্খলা ছড়াতে চাইছে।শমীকের কথায়, ভারতের গণতন্ত্রের ভিত অনেক গভীর। কোনও ভাবেই উচ্ছৃঙ্খল জনতার শাসন গণতন্ত্রের বিকল্প হতে পারে না। দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে দুর্বল করার চেষ্টা সফল হবে না বলেও দাবি করেন তিনি।রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বলতে গিয়ে বাম ও কংগ্রেসকেও আক্রমণ করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তাঁর অভিযোগ, পশ্চিমবঙ্গে বিরোধী শক্তি হিসেবে বাম ও কংগ্রেস কার্যত গুরুত্ব হারিয়েছে। তাঁর দাবি, ওই দুই দল তৃণমূলের কাছে নিজেদের সঁপে দিয়েছে। অন্যদিকে, জনসমর্থন হারিয়ে তৃণমূলও রাজনৈতিক সংকটের মুখে পড়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে দেশের রাজনীতিতে পরিবর্তন এসেছে বলেও দাবি করেন শমীক। তাঁর বক্তব্য, রাজনীতির মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত উন্নয়ন এবং মানুষের পাশে দাঁড়ানো। বাংলার মানুষ বোমা-বারুদের রাজনীতি চান না। তাঁরা চান শিল্প, কারখানা এবং কাজের সুযোগ। রাজ্যে পর্যাপ্ত কর্মসংস্থান না থাকায় বহু যুবককে কাজের খোঁজে অন্য রাজ্যে চলে যেতে হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।সমাবেশে নদিয়া উত্তর সাংগঠনিক জেলার জেলা কমিটির সদস্য অভিজিৎ দেবনাথও বক্তব্য রাখেন। তাঁর অভিযোগ, দেশের সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেও কয়েক জন বিদেশি শক্তির সঙ্গে হাত মিলিয়ে ভারতকে অশান্ত করার ষড়যন্ত্র করছেন। এ ধরনের কাজ কোনও ভাবেই মেনে নেওয়া হবে না বলে জানান তিনি।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার এবং বামপন্থীদের সমালোচনা করে অভিজিতের দাবি, জাতীয়তাবাদী ও সনাতনী সমাজ একজোট হলে দেশবিরোধী শক্তিকে বাংলা তথা দেশ থেকে সরাতে বেশি সময় লাগবে না।কৃষ্ণনগরের এই সমাবেশ থেকে তৃণমূলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, রাজ্যে সাধারণ মানুষের অধিকার এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার লড়াই চলবে।

নভেম্বর ০৪, ২০২৬
রাজ্য

বর্ষায় হারিয়ে গিয়েছিল মা কালীর মূর্তি, পুজোর আগে নদী থেকে কী ভাবে ফিরলেন মা?

বর্ষায় মন্দির থেকে হারিয়ে গিয়েছিল মা কালীর মূর্তি। পুজোর আগে সেই মূর্তিই ফিরে এল গ্রামে। সুন্দরবনের পুঁইজালীতে এই ঘটনায় খুশির আবহ তৈরি হয়েছে। মায়ের মূর্তি ফিরে পাওয়ায় আনন্দে মেতেছেন গ্রামবাসীরা। নতুন করে পুজোর প্রস্তুতি শুরু করেছে মন্দির কমিটি।ঘটনার সূত্রপাত রায়মঙ্গল নদীতে। মাছ ধরতে গিয়ে জালে মা কালীর একটি মূর্তি পান এক মৎস্যজীবী। মাধবকাটি গ্রামের বাসিন্দা বাবলু মণ্ডল সেই মূর্তিটি উদ্ধার করে নিজের গ্রামে নিয়ে যান। পরে গ্রামের একটি মন্দিরে সেটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। মূর্তি উদ্ধারের ঘটনার একটি ভিডিও সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন গ্রামের কয়েক জন যুবক।সেই ভিডিও দেখেই মূর্তিটি চিনতে পারেন সুন্দরবনের পুঁইজালী গ্রামের বাসিন্দারা। তাঁদের দাবি, নদী থেকে উদ্ধার হওয়া মূর্তিটি তাঁদের গ্রামের কালীমন্দিরের। বর্ষার সময় মন্দির থেকে সেটি হারিয়ে গিয়েছিল।এর পরেই মাধবকাটি গ্রামের বাসিন্দা ও মন্দির কমিটির সঙ্গে যোগাযোগ করেন পুঁইজালীর বাসিন্দারা। বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনকেও জানানো হয়। মাধবকাটির মন্দির কমিটির সদস্যেরা নিজেদের মতো করে বিষয়টি খতিয়ে দেখেন। পুঁইজালী গ্রামের বাসিন্দারা মূর্তিটি তাঁদের বলে প্রমাণ দেওয়ার পর সেটি ফিরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।মাধবকাটি মন্দির কমিটির এক সদস্য বলেন, আমরা মায়ের মূর্তিটি নদীতে পেয়েছিলাম। পুঁইজালী গ্রামের কমিটি দাবি করে, মূর্তিটি তাঁদের। বিষয়টি থানায় জানিয়েছিলাম। ওঁরা প্রমাণ দিয়েছেন। তাই আমরা মূর্তিটি তাঁদের হাতে ফিরিয়ে দিচ্ছি।পুঁইজালী পুজো কমিটির সদস্য উত্তম পাত্র বলেন, আমাদের প্রতিমা হারিয়ে গিয়েছিল। এখানকার মন্দির কমিটি ও প্রশাসন সেটি আমাদের ফিরিয়ে দিয়েছেন। পুঁইজালী কালীমন্দিরে মায়ের মূর্তি প্রতিষ্ঠা করা হবে। মূর্তি ফিরে পেয়ে আমরা খুবই খুশি।পুজোর আগে হারানো মূর্তি ফিরে পাওয়ায় এখন আনন্দে মেতেছেন পুঁইজালীর বাসিন্দারা। মন্দিরে মায়ের মূর্তি প্রতিষ্ঠা করে ধুমধাম করে পুজোর আয়োজন করতে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।

নভেম্বর ০৪, ২০২৬
দেশ

দুবাই থেকে ফিরতেই হবে টুলু মণ্ডলকে! ১৭ নভেম্বরের সময়সীমা বেঁধে দিল সুপ্রিম কোর্ট

দুবাই থেকে দেশে ফিরতেই হবে টুলু মণ্ডলকে। আগামী ১৭ নভেম্বরের মধ্যে ভারতে ফেরার নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। তবে ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত তাঁকে গ্রেফতার করা হবে না বলে আশ্বাস দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ। পাথর পাচার এবং সরকারি রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগে অভিযুক্ত টুলু বর্তমানে পরিবারকে নিয়ে দুবাইয়ে রয়েছেন।বীরভূমে পাথর পাচার ও সরকারি রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগে টুলু মণ্ডলের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দিয়েছে জেলা পুলিশ। অভিযোগ, সরকারি কর্মীদের একাংশের সঙ্গে যোগসাজশ করে খনিজ পরিবহণের জন্য প্রয়োজনীয় ডিসিআর এড়িয়ে যেতেন তিনি। ২০২১ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত প্রতি বছর ১০০ কোটি টাকারও বেশি রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। সব মিলিয়ে সেই অঙ্ক প্রায় ৮৫০ কোটি টাকা বলে দাবি তদন্তকারীদের।এই মামলায় পুলিশের তৎপরতা বাড়তেই এলাকা ছেড়ে চলে যান টুলু। পরে তিনি দুবাইয়ে আশ্রয় নেন বলে জানা গিয়েছে। এ দিন সুপ্রিম কোর্টে তাঁর হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী মুকুল রোহতগি। তিনি জানান, আদালতের রক্ষাকবচ পেলে দেশে ফিরতে রাজি টুলু। তাঁর আরও অভিযোগ, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ টুলুর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করছে।আদালতে সওয়াল করতে গিয়ে মুকুল বলেন, টুলু মণ্ডল দাউদ ইব্রাহিম নন। তিনি দেশের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা নিয়ে দুবাইয়ে বৈধ ব্যবসা করছেন।এর পরেই রাজ্য পুলিশের বক্তব্য জানতে চান বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতি শী নাগুর বেঞ্চ। রাজ্য পুলিশের হয়ে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা জানান, টুলু দেশে ফিরলে আপাতত তাঁকে গ্রেফতার করা হবে না। তবে তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চলবে।দুই পক্ষের বক্তব্য শোনার পর ১৭ নভেম্বরের মধ্যে টুলুকে ভারতে ফেরার নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। পাশাপাশি আদালত জানায়, ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত তাঁকে গ্রেফতার করা যাবে না। এই সময়ের মধ্যে পরবর্তী রক্ষাকবচের জন্য স্থানীয় আদালতে আবেদন করতে হবে টুলুকে।ফলে আপাতত দুবাই ছেড়ে দেশে ফিরতে হবে টুলু মণ্ডলকে। তবে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা পাথর পাচার ও রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগের তদন্ত চলবে। মামলার পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে নজর রয়েছে সকলের।

নভেম্বর ০৪, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

বিগ বস বাংলায় ফিরতেই রাজবীরের চুমু! নন্দিনীকে নিয়ে এবার মুখ খুললেন সৌরভ দাসের মা

বিগ বস বাংলার দুর্গে ফিরলেন নন্দিনী দত্ত। তবে সাধারণ ভাবে নয়, ভূত জুলির সাজে। মঙ্গলবারের পর্বে তাঁকে দেখেই আবেগ ধরে রাখতে পারেননি রাজবীর। জড়িয়ে ধরে চুমুতে ভরিয়ে দেন নন্দিনীকে। কিন্তু তাঁদের এই ঘনিষ্ঠ আচরণ মোটেই পছন্দ হয়নি অভিনেতা সৌরভ দাসের মায়ের। তাঁর মতে, প্রেমেরও একটা সীমা থাকা উচিত। রাজবীর ও নন্দিনী সেই সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছেন।রবিবারের পর্বে সঞ্চালক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, দর্শকদের ভোটে বিগ বস বাংলার দুর্গ ছেড়ে বেরিয়ে যাচ্ছেন নন্দিনী। সেই খবর শুনে কান্নায় ভেঙে পড়েন রাজবীর-সহ অন্য প্রতিযোগীরা। দুর্গ ছাড়ার আগে প্রেমিকাকে চুমুতে ভরিয়ে দিয়েছিলেন রাজবীর। তবে পরে জানা যায়, নন্দিনী আসলে প্রতিযোগিতা থেকে বাদ পড়েননি। তাঁকে দুদিনের জন্য রাখা হয়েছিল গোপন ঘরে।মঙ্গলবার রাতে ভূত জুলির সাজে ফের মূল দুর্গে প্রবেশ করেন নন্দিনী। জানা যায়, বেশ কিছু বিশেষ ক্ষমতা নিয়ে ফিরেছেন তিনি। নন্দিনীকে দেখেই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন রাজবীর। তাঁকে জড়িয়ে ধরে চুমু দিতে শুরু করেন। তাঁদের এই ঘনিষ্ঠ মুহূর্ত ঘিরেই শুরু হয়েছে নতুন করে আলোচনা।রাজবীর ও নন্দিনীর সম্পর্ক নিয়ে আগেও আপত্তি জানিয়েছেন অনেকে। খোদ সঞ্চালক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ও পারিবারিক অনুষ্ঠানে তাঁদের আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। এ বার এই প্রসঙ্গে মুখ খুললেন অভিনেতা সৌরভ দাসের মা। তাঁর কথায়, মিষ্টি প্রেম হতেই পারে। কিন্তু এটা একটা নোংরামির পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে। চরম বাড়াবাড়ি হচ্ছে। সব কিছুর একটা সীমা থাকা উচিত। রাজবীর আর নন্দিনী সেই সীমাটাই পার করে গিয়েছে। শো দেখাই ছেড়ে দেব ভেবেছিলাম।বিগ বস বাংলার ঘরে রাজবীর-নন্দিনীর সম্পর্ক নিয়ে দর্শকদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। তাঁদের ঘনিষ্ঠতা নিয়ে যেমন আলোচনা হচ্ছে, তেমনই শোয়ের পারিবারিক চরিত্র বজায় রাখা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।

নভেম্বর ০৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal